শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

স্কুলের খাবারে লবণের বদলে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে নিতে হলো শিক্ষার্থীদের

সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১৯ আগস্ট ২০২৬ ১২:৫৬ অপরাহ্ন
স্কুলের খাবারে লবণের বদলে ডিটারজেন্ট, হাসপাতালে নিতে হলো শিক্ষার্থীদের
রাঁধুনি ভুল করে লবণ ভেবে খাবারে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে ফেলেন। ছবি: এনডিটিভি

ভারতের সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে মিড-ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা থাকে। নালন্দা জেলার নুরসরাই থানা এলাকার পারাসি গ্রামের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনকার মতো গতকাল মঙ্গলবারেও মিড-ডে মিলের জন্যও অপেক্ষায় ছিল। কিন্তু মিলের খাবার খাওয়ার পরই বদলে যায় পরিস্থিতি।


এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদের মধ্যে কয়েকজনের মাথা ঘোরানোর অনুভূতি ও বমি শুরু হয়। পরে প্রায় ৩৬ জন ছাত্রীকে হাসপাতালে নিতে হয়।


অভিযোগ উঠেছে, রান্নার সময় লবণের পরিবর্তে ভুল করে ডিটারজেন্ট পাউডার মিড-ডে মিলে মিশিয়ে ফেলেছিলেন এক রাঁধুনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রান্নাঘরে লবণ ও ডিটারজেন্ট পাউডারের পাত্র একই জায়গায় রাখা ছিল। রাঁধুনি ভুল করে ডিটারজেন্ট পাউডারকে লবণ ভেবে খাবারে মিশিয়ে ফেলেন।


খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পর কয়েকজন শিক্ষার্থী মাথা ঘোরার অভিযোগ করে এবং বমি করতে শুরু করে। প্রথমে বিদ্যালয়েই তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে তাদের সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শৈলেন্দ্র কুমার সিং বলেন, নির্ধারিত মেনু অনুযায়ী একটি বেসরকারি সংস্থা সয়াবিন-ভাতের মিড-ডে মিল সরবরাহ করেছিল। কয়েকজন শিক্ষার্থী খাবার খাওয়ার পর অন্যরা অভিযোগ করে, খাবারে লবণ কম রয়েছে।


অসুস্থ শিক্ষার্থীদের বিহার শরিফ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল আছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।


সিভিল সার্জন চিকিৎসক জয় প্রকাশ সিং হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, সব শিশু এখন আশঙ্কামুক্ত।


বিহারের পল্লি উন্নয়নমন্ত্রী শ্রবণ কুমার হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি তাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন।


শ্রবণ কুমার বলেন, মিড-ডে মিল প্রস্তুত ও পরিবেশনের সময় কীভাবে এ অভিযোগ ওঠা ত্রুটি ঘটল, তা জানতে বিস্তারিত তদন্ত করা হবে।


তথ্যসূত্র: আজকের পত্রিকা অনলাই