শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

ঈশ্বরদীতে সংর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে যুবক জামায়াতের কর্মী!

WP Import ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০৬:১৭ অপরাহ্ন
WP Import ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০৬:১৭ অপরাহ্ন
ঈশ্বরদীতে সংর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে যুবক জামায়াতের কর্মী!
ঈশ্বরদীতে সংর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে যুবক জামায়াতের কর্মী!


ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :


পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়। গুলি করার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় সেখানে সামনে থাকা প্রতিপক্ষের লোকজনকে উদ্দেশ্য করে এক যুবককে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলি করতে দেখা যায়।

অবশেষে খোঁজ খবর নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ভাইরাল হওয়া ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গুলি ছুঁড়তে দেখা ওই যুবকের নাম তুষার মন্ডল। তিনি ঈশ্বরদী পৌর শহরের ভেলুপাড়া এলাকার তাহের মন্ডলের ছেলে। তিনি পাবনা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের ভাতিজা মামুন মন্ডলের অন্যতম সহচর এবং জামায়াতের সক্রিয় কর্মী।

পাবনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর গুলি করেছে জামায়াত কর্মী তুষার মন্ডল। তুষার জামায়াতে ইসলামীর নেতা তালেব মন্ডলের ভাতিজা মামুন মন্ডলের সন্ত্রাসী বলে জানান তিনি।

এদিকে অস্ত্র হাতে ভাইরাল ওই যুবক জামায়াতের কর্মী নন বলে দাবী করেছেন পাবনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল। বৃহস্পতিবার রাতে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, অস্ত্র হাতে ওই যুবক আমাদের দলের কেউ নন, আমি তাকে চিনি না।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.স.ম. আব্দুন নূর বলেন, বিভিন্ন ভাবে ওই যুবকের নাম পরিচয় আমাদের নিকট এসেছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি। ইতোমধ্যে এ নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে ওই যুবকের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গতঃ বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি আলহাজ¦ মোড় (জগির মোড়) এলাকায় আগের বিরোধকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, ভাংচুর মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেওয়াসহ সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, বিএনপির কৃষক দলের আহবায়ক মক্কেল মৃধাসহ উভয় দলের প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন।