রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি চাল ডিম মাছ মাংস

WP Import ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২২ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:২২ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:


গেল মাসখানেক থেকে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। একই অবস্থা ডিমেরও। বৃষ্টির কারণে দাম কমলেও এখন তা বাড়ছে। কয়েক মাস থেকে চালের দাম বাড়তিই আছে। মাছ ও মাংস আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবুও ক্রেতারা অসন্তুষ্ট হচ্ছে বাজারে এসে। ক্রেতাদের অভিযোগ যে যার মতো দাম আদায় করছে, যেন এটা দেখার কেউ নেই।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমনই তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিক্রেতা বলছেন, আমাদের বেশি দামে কিনে এসে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে কয়েকটি পণ্যও দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দামও কিছুটা চড়েছে। চাল, ডাল, মাছের দামও কমেনি। তবে সবজির দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমলেও চড়া দামে বিক্রি হয়। বাজারে কমলেও বেশ কিছু দিন ধরে খুচরা বাজারে ডিম বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। আর সাদা ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৪ টাকা হালিতে। আগের মতো সোনালি মুরগির কেজি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়। ব্রয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা বেড়ে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়। তবে দেশি মুরগি আগের মতোই ৬০০ থেকে ৬৫০, গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০, খাসির মাংস ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

বাজারে আগের মতো চড়া দামে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়। ১ কেজির বেশি ওজনের ইলিশের কেজি ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, ১ কেজি ওজনেরটা ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা, জাটকাও ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাচকি মাছের কেজি ৬০০ টাকা, কাজলি, ট্যাংরা, চিংড়ি, বাচ্চা মাছ ৮০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। তবে আকারভেদে চাষের রুই ও কাতলা মাছের কেজি ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, পাবদা ৫০০ থেকে ৬০০, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৮০০, পাঙাশ, তেলাপিয়া, সিলভার কার্প ২২০ থেকে ২৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায়।

আগের তুলনায় দাম কমলেও বেগুনের কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, সবুজ গোল বেগুন ১০০ টাকা ও লম্বা বেগুন ৮০ টাকায় বিক্রি হয়। অন্য সবজির মধ্যে শিম ১৮০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি, পটোল, ধুন্দল ৬০ থেকে ৮০, ঢ্যাঁড়স ৬০ থেকে ৮০, শসা ৮০ থেকে ১০০, করলা ৮০ থেকে ১০০, ঝিঙা, বরবটি, কচুলতি ৮০ থেকে ১০০, পেঁপে ৩০, কচুমুখী ৫০-৬০ এবং গাজর ১০০ টাকায় কেজি বিক্রি হয়। তবে কাঁচা মরিচ ১৫০-২০০ টাকা কেজি, লাউ ও চাল কুমড়ার পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়। শীতের কপি উঠলেও ৬০ থেকে ৮০ টাকার কমে মেলে না।

কয়েক মাস ধরে চালের দাম না কমায় সরকার আমদানি করার ঘোষণা দেয়। এতে কিছুটা কমলেও এখনো উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে। মনজুর, রশিদ, সাগর, আকিজ, তীরসহ অন্য কোম্পানির মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দাদা কোম্পানি, ডায়মন্ড, হরিণ, মোজাম্মেল কোম্পানির চাল আরও বেশি ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া আটাশ চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা ও মোটা চাল ৫২ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিনি ১০৫ থেকে ১১০ টাকা কেজি, মসুর ডাল ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, ছোলা ১১৫ টাকা, ২ কেজির প্যাকেট আটা ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।