সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

বেগম খালেদা জিয়া যে কর্মকান্ড করে গেছেন, তা দেশবাসী সারাজীবন মনে রাখবে:মিলন

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫০ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫০ অপরাহ্ন
বেগম খালেদা জিয়া যে কর্মকান্ড করে গেছেন, তা দেশবাসী সারাজীবন মনে রাখবে:মিলন

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবাওে নির্বাচন করার জন্য তিন আসনে মনোনয়ন উত্তোলন করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই ৩০ ডিসেম্বর তিনি এভার কেয়ার হাসপাতালে সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। সেজন্য আজকে তাঁর রুহের মাগহফিরাত কামনায় দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।


ইতিপূর্বে এখানে বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়ার আয়োজন করা হয়েছিলো বলে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে কেশরহাট পৌর এলাকাবাসীর আয়োজনে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাদার অব ডেমোক্রেসি তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী,বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা বলেন।



তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে তিনি জন্ম গ্রহন করেছিলেন। আর ১৯৬০ সালে তাঁর মেজর জিয়াউর রহমানের সাথে মাত্র পনের বছল বয়সে বিয়ে হয়েছিলো। আর ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হলে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে ভারত পরাজিত হয়েছিলো। 


সেনা সদস্য যাদের বাড়িতে আছে, আর সেই সদস্য যদি যুদ্ধে যায় তাহলে ঐ পরিবারের সদস্যদের  অবস্থাটা কি হয় তা ঐ পরিবারের সদস্যরাই জানেন। বেগম জিয়া তখণ থেকেই তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। মাত্র বিশ বছর বয়সে তিনি কঠিন সময় পার করেছেন। একজন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা যদি সেই দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন। তাহলে সেই সদস্যর কি অবস্থা হতে পাওে তা সবাই অনুমান করতে পারে।


  এরপর ১৯৭১ সালে শুরু হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ। এই যুদ্ধে অংশগ্রহন ও পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে বাঁচাতে মেজর জিয়াউর রহমান পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন। এরপর তিনি কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। নিজ দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেছিলেন। একজন সামরিক সদস্য যদি তার দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন তাহলে সে দেশ তাঁকে কি বলে আখ্যাদেয় তা সবাই জানে।


সে অবস্থাতেই বেগম জিয়া চট্টগ্রামকে নিরাপদ মনে না করে সেখান থেকে জাহাজে করে চট্টগ্রামে চলে আসেন। সেখান থেকে তিনি তাঁর দুই সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় পৌঁছালে পাকিস্তানী বাহিনীর নিকট তাঁরা আটক হন। তাঁর স্ত্রী হয়ে তিনি দীর্ঘ নয়মাস সেখানে তিনি আটক ছিলেন। সেখানে তাঁকে অনেক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তবৃুও তিনি দমে যাননি।  সেখান নিজেকে আরো দৃঢ়চিত্তের করে গড়ে তুলেছিলেন বলে জানান মিলন।


দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন কেশরহাট পৌর বিএনপির  সভাপতি আলাউদ্দিন আলো। সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান এর সার্বিক তত্বাবধানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য ও মোহনপুর উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আব্দুস সামাদ, জেলা বিএনপির সদস্য আবু হেনা কামরুজ্জামান, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিমুল ইসলাম মুন, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কাজিম উদ্দিন সরকার, কেশরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক খুশবুর রহমান।