বাংলাদেশে বেগম জিয়ার নাম আজীবন স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে: মিলন
দলের এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও পবাবাসীর হয়ে তিনি সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন মহিয়সী নারী ছিলেন। যার জন্য দেশবাসী কাঁদছে। তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় সারাদেশের কোথাও না কোথাও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেই মহিয়সী নারী এমন কোন নির্যাতন নাই তিনি সহ্য করেননি। এমন কোন অত্যাচার নাই যে তাঁকে করা হয়নি। তিনি অল্প বয়সে স্বামীহারা হয়েছিলেন। এরপর কনিষ্ঠপুত্রকে হারিয়েছেন।
এই মহিয়সী নারীর নাম বাংলাদেশের ইতিহাসে আজীবন স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে বলে রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দামকুড়া ইউনিয়নের সকল স্তরের জনগণের আয়োজনে হাজী বাদল উদ্দীন হাফেজিয়া মাদ্রাসার মোড়, কাদিপুর তাফসীর মাঠে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং পবা-মোহনপুরের বিএনপি মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এসব কথা উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালে তিনি জন্ম গ্রহন করেছিলেন। আর ১৯৬০ সালে তাঁর মেজর জিয়াউর রহমানের সাথে মাত্র পনের বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিলো। আর ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয় তখন তার বয়স ছিলো মাত্র বিশ বছর। সে সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিপক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছিলেন। সেই যুদ্ধে ভারত পরাজিত হয়েছিলো।
সেনা সদস্য যাদের বাড়িতে আছে, আর সেই সদস্য যদি যুদ্ধে যায় তাহলে ঐ পরিবারের সদস্যদের অবস্থাটা কি হয় তা ঐ পরিবারের সদস্যরাই জানেন। বেগম জিয়া তখন থেকেই তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। মাত্র বিশ বছর বয়সে তিনি কঠিন সময় পার করেছেন। একজন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা যদি সেই দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করেন। তাহলে সেই সদস্যর কি অবস্থা হতে পারে তা সবাই অনুমান করতে পারে।
দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এনামুল হক কনক। সদস্য সচিব নওশাদ আলীর তত্বাবধানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য, নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, জেলা বিএনপির সদস্য শাজাহান আলী, জেলা বিএনপির সদস্য ও পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হালিম, পবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, পবা উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তাইজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানা, রেজাউল করিম ও সিরাজুল ইসলামসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।