সোমবার, জুন ২২, ২০২৬

থাইল্যান্ডের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিনের জয় দাবি

সোনার দেশ ডেস্ক ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
থাইল্যান্ডের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিনের জয় দাবি
অনুতিন চারনাভিরাকুল। ছবি: রয়টার্স

থাইল্যান্ডে সাধারণ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চারনাভিরাকুলের দল ভুমজাইথাই পার্টি প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে গেছে। ফলে জয় দাবি করেছেন অনুতিন।

নির্বাচনপূর্ব জরিপগুলোতে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টি এগিয়ে থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই পূর্বাভাসকে মিথ্যা করে অনুতিনের দলকেই এগিয়ে যেতে দেখা যায়।

অনুতিন বলেন, “এই সাফল্য সব থাই নাগরিকের। আপনি আমাদের ভোট দিন বা না দিন, তাতে কিছু আসে যায় না।”

থাইল্যান্ডে এখন পর্যন্ত ৫৬ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। ব্যাংককে ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে অনুতিনের ভুমজাইথাই পার্টি ১৯৭ আসন জিতবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওদিকে, প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী পিপলস পার্টি ১১০ আসন জিতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করতে পারে। পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত এরই মধ্যে হার স্বীকার করে নিয়েছেন বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

নাথাফং বলেছেন, অনুতিন সরকার গঠন করলে তিনি বিরোধীদলে থেকে কাজ করতে প্রস্তুত।

দেশটিতে কয়েকটি জোট সরকারের পতন এবং গত দুইবছরে তিনজন প্রধানমন্ত্রী আসার পর এই নির্বাচন হল।

এবারের নির্বাচনে ৫০ টির বেশি দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিলেও পিপলস পার্টি, ভুমজাইথাই পার্টি এবং কারাবন্দি সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার ফেউ থাই পার্টির ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে।

তবে কোনও দলেরই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা না যাওয়ায় জোট সরকার গঠনের আলোচনার পট প্রস্তুত হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন পদে বহাল থাকছেন এটি এখন প্রায় নিশ্চিত।

থাইল্যান্ডের ভোটাররা এবারের ভোটে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি নতুন সংবিধান প্রণয়ন প্রশ্নে গণভোটেও অংশ নিয়েছেন।

তারা হলুদ রঙের আরেকটি ব্যালট পেপারে ভোট দিয়েছেন। সেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’, ‘না’ এবং ‘মতামত নেই’—এই তিনটির মধ্যে একটিতে ভোট দেন।

থাইল্যান্ডে ২০১৭ সালের সংবিধান সংস্কার করা হবে কি না, সে প্রশ্নে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

২০১৪ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর থাইল্যান্ডে পাঁচ বছর জান্তা শাসন চলার সময় ২০২৭ সালে সেনা সরকারের রচিত সংবিধান কার্যকর হয়েছিল। এই সংবিধানে সিনেটের মতো অনির্বাচিত শক্তির হাতে অতিরিক্তি ক্ষমতা দেওয় হয়েছে বলে অনেক থাই বিশ্বাস করেন।

বিবিসি-কে এক থাই নাগরিক বলেন, “আমি পরিবর্তন চাই। আমি চাই না সবকিছু একরকম থাকুক।”

তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ