বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৩০, ২০২৬

৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০১:২২ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০১:২২ অপরাহ্ন
৩৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার দেশটির সরকার ইরানের শ্যাডো ব্যাংকিং বা ছায়া ব্যাংকিং খাতে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩৫টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। একই সঙ্গে চিনের তথাকথিত ‘টিপট’ রিফাইনারিগুলোর সঙ্গে লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) জানিয়েছে, চিহ্নিত এই ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে কয়েক দশ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের অর্থ লেনদেনে সহায়তা করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অর্থ সরাসরি ইরানের সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতার কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানের এই ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক লাইফলাইন হিসেবে কাজ করছে। এই নেটওয়ার্ক মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা ছড়ানো এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটানোর নেপথ্য কারিগর।

ট্রেজারি বিভাগ জানায়, মঙ্গলবারের এই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিল সেইসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যারা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) সহ ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ করে দেয়। এর মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে তেল বিক্রির অর্থ গ্রহণ, মিসাইল ও অন্যান্য অস্ত্র ব্যবস্থার সংবেদনশীল যন্ত্রাংশ ক্রয় এবং ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর কাছে অর্থ স্থানান্তর করে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র আলাদাভাবে চিনের শানডং প্রদেশের স্বাধীন ‘টিপট’ রিফাইনারিগুলোর ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই রিফাইনারিগুলো ইরানি তেল আমদানির পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের জন্য আইআরজিসিকে টোল পরিশোধ করছে। ওএফএসি জানিয়েছে, কোনও ব্যাংক যদি এই ধরণের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করে, তবে তাদেরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হতে হবে। যদিও চীন এই ধরনের ‘অবৈধ’ একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে।

ট্রেজারি সেক্রেটারি বেসেন্ট জানান, যারা এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকবে তাদের ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। তিনি বলেন, এই অবৈধ তহবিল সরাসরি মার্কিন কর্মী, আঞ্চলিক মিত্র এবং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সরাসরি হুমকি।

তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন