শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পবায় খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার আহ্বান

WP Import ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৩৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২৬ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৩৯ অপরাহ্ন
পবায় খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার আহ্বান
পবায় খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক:


জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষে পবা উপজেলায় অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলায় বক্তারা খামারিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আরও উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই লক্ষ্যে বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল চত্বরে“দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি: প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি”প্রতিপাদ্যে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে র‌্যালি শেষে অতিথিরা প্রদর্শনী মেলার ২৫টি স্টল পরিদর্শন করেন। এসব স্টলে দেশি–বিদেশি বিভিন্ন জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস–মুরগি, কবুতর, কোয়েল, শৌখিন খরগোশ, বিড়ালসহ উন্নত ঘাস প্রযুক্তি, আধুনিক ফিড ম্যানেজমেন্ট, দুগ্ধজাত পণ্য, খামারভিত্তিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি পশুখাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের উদ্ভাবনী সেবা তুলে ধরে। স্থানীয় খামারিরা নিজেদের সাফল্য ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত আমান আজিজ। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আব্দুল লতিফ এবং সঞ্চালনা করেন প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মহরম আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান, পবা থানা (আরএমপি)–এর অফিসার ইনচার্জ ফরহাদ আলী, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা নুরুন্নবী, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবু বাশির, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আহসান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খান।

বক্তারা বলেন, নিরাপদ দুধ ও মাংস উৎপাদন, কৃত্রিম প্রজনন, রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকা কার্যক্রম এবং আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনাÍএসবই বর্তমান প্রাণিসম্পদ খাতকে উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মাঠপর্যায়ে এসব প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে। তারা আরও বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারে খামারিদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে উৎপাদনশীলতা বাড়বে, রোগবালাই কমবে এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হবে।

প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীরা জানান, এক স্থানে পশুপাখি, খাদ্য ও নতুন প্রযুক্তিÍসব কিছু একসঙ্গে দেখার সুযোগ তাঁদের জন্য দারুণ অভিজ্ঞতা। খামারিরা মনে করেন, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে নতুন তথ্য ও প্রযুক্তি সহজে পাওয়া যাবে, যা তাদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।
সংশ্লিষ্টরা বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় খামারিদের আরও দক্ষ করে তোলা সম্ভব। এর ফলে ভবিষ্যতে প্রাণিসম্পদ খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং দেশের সামগ্রিক মাংস–দুধ উৎপাদন ব্যবস্থায় অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।