শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

গফরগাঁওয়ে ডাকাতি শেষে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

সোনার দেশ ডেস্ক ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:১৬ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:১৬ অপরাহ্ন
গফরগাঁওয়ে ডাকাতি শেষে ছেলেকে জিম্মি করে মাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতি শেষে ডাকাতদল প্রবাসীর ছেলেকে (১৪) অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বেঁধে ছেলের সামনেই মাকে (৩২) সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। এ সময় তারা ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করে হুমকি দেয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।  


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চর কালিবাড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ এক জনকে আটক করেছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে চর কালিবাড়ি এলাকার তাহের উদ্দিনের ছেলে শরীফ (২৩), আরিফ (২১), মমিন মিয়ার ছেলে ফাহিম (২২) মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাজিব (২৩), নূরুল ইসলামের ছেলে এনামুল (২২) সশস্ত্র অবস্থায় ওই প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় তারা দরজায় দাঁড়িয়ে প্রবাসীর ছেলের কাছে পানি চায়। 


পানি এনে দেওয়ামাত্র তারা ঘরে প্রবেশ করে প্রবাসীর ছেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর ডাকাত দল প্রবাসীর স্ত্রীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে আলমারি ভেঙে বাড়ি নির্মাণের খরচ বাবদ নগদ ৫ লাখ টাকা, স্বর্নালংকারসহ গৃহবধূর গলার হার, কানের দুলসহ ৫ লাখ মূল্যের প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিপত্র লুটে নেয়। 


জিনিসপত্র লুট করার পর ডাকাত দলের সদস্যরা প্রবাসীর স্ত্রীকে বাইরে এনে ছেলের গলায় চাপাতি ধরে জিম্মি করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। রাজিব নামে ডাকাত দলের সদস্য এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করে এবং আগামী তিন দিনের মধ্যে আরো দুই লাখ টাকা না দিলে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। 


ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর ভুক্তভোগীদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে এবং গফরগাঁও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযানে বের হয়। পরে শুক্রবার তিনটার দিকে চর কালীবাড়ি গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি নির্জন স্থানে অভিযুক্তদের ঘেরাও করে। এ সময় অভিযুক্ত চারজন পালিয়ে গেলেও রাজিব পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। 


গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান সেখ জানান, এ ঘটনায় রাজিব নামে এক জনকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলামান। অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুতই অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি