‘নিউরন’ নাম ব্যবহার নিয়ে বিরোধ, আদালতের নিষেধাজ্ঞার দাবি
‘নিউরন নার্সিং কোচিং’ নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। একই বা কাছাকাছি নাম ব্যবহারের কারণে শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সাইফুল ইসলাম। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে করা মামলায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর আদালত বিবাদীদের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর মেহেরচন্ডী এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২০০৭ সাল থেকে তিনি ‘নিউরন নার্সিং কোচিং’ পরিচালনা করছেন।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠানটির ৬০টির বেশি শাখা রয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিচিতির কারণে অন্যরা ‘নিউরন’ নাম ব্যবহার করে নার্সিং কোচিং পরিচালনা করায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির নাম ট্রেডমার্ক হিসেবে নিবন্ধন করা হয়। এরপরও কয়েকজন ‘নিউরন’ নাম ব্যবহার করায় ২০২৩ সালে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। মামলায় প্রথমে তাঁর পক্ষে রায় হলেও বিবাদীপক্ষ আপিল করে।
পরে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত হয়। তাঁর ভাষ্য, গত ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত বিবাদীদের তাঁর নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক ‘নিউরন নার্সিং কোচিং’ অবৈধভাবে ব্যবহার ও লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আগামী ৫ অক্টোবর এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গ রায় নয় উল্লেখ করে সাইফুল ইসলাম বলেন, শুনানির পর আদালত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বা বহাল রাখতে পারেন। আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ভর্তি কার্যক্রমের সময় অনেকে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, কোনটি ‘অরিজিনাল নিউরন’।
তাঁর দাবি, সারা দেশে শতাধিক প্রতিষ্ঠান তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম নকল বা ট্রেডমার্ক লঙ্ঘন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে। আদালতের আদেশ অমান্য করা হলে নিজে কোনো ব্যবস্থা নেবেন না জানিয়ে তিনি বলেন, লঙ্ঘনের প্রমাণ আদালতের কাছে তুলে দেওয়া হবে। এরপর আদালতই সিদ্ধান্ত নেবেন। রাজনীতির সঙ্গে তাঁর আগের সম্পৃক্ততার কারণে বিরোধ তৈরি হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানের বিষয়টির সঙ্গে ব্যক্তিগত বিষয় মেলাতে চান না। বর্তমানে তিনি কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত নন বলেও দাবি করেন।#