শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

পাকিস্তানি হানাদারদের সহযোগীরা দেশের স্বাধীনতাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল

WP Import ১০ নভেম্বর ২০২৫ ০১:৪৭ অপরাহ্ন জাতীয়
WP Import ১০ নভেম্বর ২০২৫ ০১:৪৭ অপরাহ্ন
পাকিস্তানি হানাদারদের সহযোগীরা দেশের স্বাধীনতাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল
পাকিস্তানি হানাদারদের সহযোগীরা দেশের স্বাধীনতাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে : মির্জা ফখরুল


সোনার দেশ ডেস্ক :


ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সোমবার সকালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “একাত্তারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভুলিয়ে দিতে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যারা সেই যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদারদের সহযোগী ছিল, তারা আজ আবারো দেশের স্বাধীনতাকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে।”

সোমবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ড আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঠাকুরগাঁও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোকে মুছে দিতে চাওয়া হচ্ছে; কিন্তু সেই ইতিহাস কখনোই ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। আমরা বুকের ভেতর মুক্তিযুদ্ধকে বয়ে বেড়াচ্ছি, এটা আমাদের অস্তিত্বের অংশ, এখান থেকে বেরিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই।”

তিনি বলেন, “যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় মা-বোনদের পাকিস্তানিদের হাতে তুলে দিয়েছিল, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যায় সহযোগিতা করেছিল— তাদের সঙ্গে কোনো আপোষ হতে পারে না। এরা বারবার মুখ বদলে সামনে আসছে, দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে চায়।”
বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব সতর্ক করে বলেন, “নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া মানে দেশের সর্বনাশ ডেকে আনা। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।”

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঠাকুরগাঁও জেলা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর করিম সভায় সভাপতিত্বে করেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নাঈম জাহাঙ্গীর, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহম্মদ খান, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলীসহ ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা।

সভায় বক্তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বর্তমান অবস্থা, তাদের অধিকার সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।
তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি