রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

পিস্তল হাতে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতা, পুলিশের দাবি-নজরে আসেনি

WP Import ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৫০ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৫০ অপরাহ্ন
পিস্তল হাতে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতা, পুলিশের দাবি-নজরে আসেনি
পিস্তল হাতে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতা, পুলিশের দাবি-নজরে আসেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে অস্ত্র হাতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের পলাতক এক নেতার একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি তাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি উঠেছে। তবে পুলিশের দাবি, ছবিটি তাদের নজরে আসেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিটি নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের মহানগর কমিটির সাবেক মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক উপসম্পাদক ইয়াসির আরাফাত আপনের। তিনি নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাজপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ২০২২ সালের ১১ মার্চ অনুমোদিত রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগ কমিটির নেতা। তিনি মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রকি কুমার ঘোষের সবচেয়ে আস্থাভাজন। এ ছাড়া নগর ছাত্রলীগের পরের কমিটির নেতাদেরও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন আপন। তিনি রাজশাহীতে ইয়াবা ব্যবসার ডিলার হিসেবেও পরিচিত। ব্যবহার করেন প্রাইভেটকার, দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন ও দামি মোটরসাইকেল।

অস্ত্র হাতে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, কালো পাঞ্জাবি পরে মাস্ক দিয়ে মুখ ঢেকে হাতে পিস্তল নিয়ে সেটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করছেন আপন। একটি রাস্তায় দাঁড়ানো অবস্থায় ভাইরাল হওয়া ছবিটি রাতের। এ সময় আশপাশে মানুষের উপস্থিতি ছিল না। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য আপনের ব্যবহৃত মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ২০২২ সালের জুলাইয়ে ক্ষমতার দাপটে রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য পরিবহন (সড়কপথ) ঠিকাদার কর্মচারী ইউনিয়নের ভোটে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদটি দখল করেন আপন।
আপনের এলাকার একজন বাসিন্দা জানান, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলেও আপন প্রকাশ্যে ছিলেন। সম্প্রতি ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে তিনি আত্মগোপন করেন। এখন ঢাকার বারিধারায় আছেন বলে জানান তিনি। ওই বাসিন্দা আরও বলেন, অজানা এক রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও হয়নি। আপন ও তার বাহিনীর আতঙ্কে আছেন এলাকার লোকজন।
মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। আমরা খোঁজ নেব। এ রকম ঘটনা ঘটলে অবশ্যই অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।