খুলনায় দিনেদুপুরে হাতুড়ি-কুড়াল নিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুর
খুলনায় আরও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মহানগরীর খানজাহান আলী সড়কের ‘নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশনে’ এ হামলা চালানো হয়। এতে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫/৬ জন যুবক ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে হাতুড়ি ও চাইনিজ কুড়াল নিয়ে প্রবেশ করেন। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা হাতুড়ি ও চায়নিজ কুড়াল দিয়ে বিভিন্ন জিনিসে আঘাত করতে থাকেন। এ সময় দুটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), একটি টেলিভিশন, সামনের দরজার কাচ ও অভ্যর্থনা কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়।
এর আগে তারা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মীর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। মোবাইলটির আনুমানিক দাম ৩০ হাজার টাকা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘প্রায় এক মাস আগে টুটপাড়ার নুর আজিম বাহিনীর নামে এক সদস্য ফোন করেছিলেন। ফোনে নুর আজিমের কথা বলা হলে— তাকে চিনি না বলে জানাই। এরপর অপর প্রান্ত থেকে কল কেটে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার এক মাস পর ডায়াগনস্টিক সেন্টারে হামলা হলো।’
ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসা এক সেবা প্রার্থী বলেন, ‘হামলাকারী ৫/৬ জনের সবার হাতে হাতুড়ি ও চায়নিজ কুড়াল ছিল।’
খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন রিপন বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের আটকে অভিযান চলছে।’
উল্লেখ্য, গত ২৪ অক্টোবর রাতে মহানগরীর বাবুখান রোডে ‘সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ ভাঙচুর ও গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটে। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরদিন ২৫ অক্টোবর সোনাডাঙ্গায় ‘সন্ধানী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের’ দ্বিতীয় শাখায় গিয়ে একদল দুর্বৃত্ত কর্তব্যরত চিকিৎসকদের অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি দেখায়। ৪ নভেম্বর সামসুর রহমান রোডে ‘আব্দুল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ হামলা হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন